হাসিনার বিচার: ষড়যন্ত্রতত্ত্ব, ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত রায়’ ও তথ্যপ্রমাণ
হাসিনার বিচার: ষড়যন্ত্রতত্ত্ব, ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত রায়’ ও তথ্যপ্রমাণ

Collected from: prothomalo.com

ইতিহাসের কিছু রায় কেবল একজন ব্যক্তির ভাগ্য নির্ধারণ করে না; বরং একটি জাতির বিবেককে তার নিজের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার রক্তস্নাত অভ্যুত্থানের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়টি তেমনি এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত।

রায়ের পর ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগও তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। শেখ হাসিনা, তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও সহযোগী সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে যেসব প্রতিক্রিয়া এসেছে, সেসবের ভাষা, যুক্তি অনেকটা একই।

সেখানে কোনো আইনি বা তথ্যভিত্তিক পর্যালোচনা ছিল না। তাঁদের কাছে এটি ছিল এক পূর্বপ্রস্তুত রাজনৈতিক চিত্রনাট্যের মঞ্চায়ন, যার মূল প্রতিপাদ্য হলো—এই রায় একটি ‘ষড়যন্ত্র’, এটি ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ এবং এই ট্রাইব্যুনাল একটি ‘অবৈধ ক্যাঙারু কোর্ট’।

এ অস্বীকারের রাজনীতি নতুন কিছু নয়। পৃথিবীর ইতিহাসে প্রত্যেক স্বৈরশাসক পতনের পর নিজের কৃতকর্মের মুখোমুখি হতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

কিন্তু বাংলাদেশের পটভূমিতে আওয়ামী লীগের এ অবস্থান বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, তাদের এ ‘ষড়যন্ত্রতত্ত্ব’ কেবল ফাঁপা বুলি নয়, এটি একটি অখণ্ড ও হিমশৈলসম প্রমাণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে আছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে